ধারা ১৭৩
Article 173
সপ্তাহে নিয়মিত ইসলামী বিজ্ঞান ও আরবি ভাষার ক্লাস থাকতে হবে, এবং সেগুলোর জন্য একই সময় ও একই পরিমাণ সময় বরাদ্দ রাখতে হবে, যেমন অন্যান্য বিজ্ঞানের ক্লাসের জন্য রাখা হয়।
There must be weekly classes in Islamic sciences and Arabic, with the same time and amount allocated as the classes for the rest of the sciences.
শিক্ষা দেওয়া বিষয়গুলো দুই প্রকার: প্রথমত, মনকে বিকশিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, যাতে মানুষ শব্দ, কর্ম ও বস্তুকে তাদের বাস্তবতা ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে, এবং মানুষের প্রকৃতির সঙ্গে সেগুলোর খাপ খাওয়ার দিক থেকে বিচার করতে পারে। যেমন রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত এবং অন্যান্য পরীক্ষণভিত্তিক বিজ্ঞান। এই জ্ঞানের সঙ্গে ব্যক্তিত্ব গঠনের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। দ্বিতীয়ত, শব্দ, কর্ম ও বস্তু সম্পর্কে শরিয়াহর জ্ঞান, যা দ্বারা শরয়ী বিধান (তাকলীফি) ব্যাখ্যা করা হয়: তা ফরজ, মুস্তাহাব, মুবাহ, মাকরূহ নাকি হারাম, অথবা ‘আহকামুল ওয়াদ‘’ ব্যাখ্যা করা হয়, যেমন তা কারণ, শর্ত নাকি প্রতিবন্ধক, অথবা রুখসত (ছাড়) নাকি ‘আযীমত (মূল বিধান), বৈধ (সহীহ), বাতিল বা ত্রুটিপূর্ণ (ফাসিদ) কি না। সেই অনুযায়ী ইসলামী মানসিকতা গড়ে ওঠে। আর এই শরয়ী বিধানগুলোর সঙ্গে যদি এই লক্ষ্যও যুক্ত থাকে যে মুসলিম বস্তু, কর্ম ও শব্দের প্রতি তার আকর্ষণ বা বিরাগের দিক থেকে ইসলামী অবস্থান গ্রহণ করবে, এবং দেহের প্রয়োজন ও সহজাত প্রবৃত্তি পূরণের সময় সেগুলো গ্রহণ বা বর্জন করবে, তবে ইসলামী মেজাজ (নফসিয়্যাত) গড়ে ওঠে। ইসলামী মানসিকতা ও মেজাজ থেকেই ইসলামী ব্যক্তিত্ব গঠিত হয়, যেখানে ইসলামী আকীদাহ তার চিন্তা ও প্রবণতার ভিত্তি হয়। ইসলাম মুসলিমকে মহাবিশ্ব, মানুষ ও জীবনের সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করতে বলে, যেমন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার বাণী: