আর্টিকেল ১১৬
Article 116
নারীর জন্য শাসনক্ষমতাসম্পন্ন কোনো পদ গ্রহণ করা জায়েয নয়; সুতরাং সে খলীফা হতে পারবে না, সহকারী, গভর্নর বা আমিল হতে পারবে না, এবং শাসনকাজ হিসেবে গণ্য হয় এমন কোনো কার্যক্রমও গ্রহণ করতে পারবে না। একইভাবে সে প্রধান বিচারপতি হতে পারবে না, মাযালিম আদালতের বিচারকও হতে পারবে না, এবং জিহাদের আমীর হতে পারবে না।
It is not permitted for a woman to take a ruling position; so she cannot be a Khalifah, nor an assistant, governor or ‘Amil, nor undertake any action considered to be ruling. In the same manner she cannot be the head judge and nor a judge in the Madhalim court, nor the Amir of Jihad.
এই অনুচ্ছেদের দলিল হলো আবু বাকরাহ (রাঃ) থেকে ইমাম আল-বুখারী যা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন।
The evidence for this article is what Al-Bukhari narrated from Abu Bakra who said.
. لَنْ ي فُْلِحَ « : أن أهل فارس ملَّكوا عليهم بنت كسرى قال لما بلغ رسول الله » قَ وْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمُ امْرَأَة .
. لَنْ ي فُْلِحَ « : أن أهل فارس ملَّكوا عليهم بنت كسرى قال لما بلغ رسول الله » قَ وْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمُ امْرَأَة .
"আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে যখন জানানো হলো যে, কিসরার কন্যাকে পারস্যবাসীদের শাসনভার দেওয়া হয়েছে, তখন তিনি বললেন: যে জাতি তাদের শাসক হিসেবে একজন নারীকে নিযুক্ত করে, তারা কখনো সফল হবে না।" এই হাদীসটি স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছে যে, নারীর জন্য শাসনক্ষমতার কোনো পদে অধিষ্ঠিত হওয়া বৈধ নয়। সুতরাং শাসনকার্যের যে কোনো কাজ, তা খলীফা, সহকারী, ওয়ালী (প্রদেশের শাসনকর্তা), সর্বোচ্চ বিচারপতি, মাযালিম আদালতের বিচারক, অথবা জেলার ‘আমিল, যাই হোক না কেন, নারীর জন্য তা গ্রহণ করা জায়েয নয়; কারণ হাদীসটির নিষেধাজ্ঞা সুস্পষ্ট।